Gauri Lankesh – The one who bled fire

Source: Wikimedia Commons

In 2020, Reporters Without Borders assessed the world press freedom index, and out of 180 countries, India was at the 142nd position. That raises a red flag not just on the state of journalism in the country but also on the state of our democracy as a whole. A large section of the Indian media have given in to regressive, majoritarian ideals that often promotes unscientific ideas, discourages rational thinking and questioning the ones in power . However there are independent journalists, rationalists and free- thinking citizens who are fighting against this rising tide of ultra- nationalist and unquestioning journalism .

One such journalist who questioned the dominance of bigoted, ultra-nationalist and autocratic right wing ideals in the media was Gauri Lankesh. Born and brought up in Karnataka, she would have turned 60 this 29th had she not been shot dead by assailants on 5th September, 2017. Gauri Lankesh had been a forerunner of rationalism and sound judgment which in many cases have triggered the ones in power to censure her work. Several defamation suits had been filed against her by the reactionary, and ultra-conservative faction of the country.

“I’ll do what I can and I’ll say what I should. These intolerant voices find strength on our silence. Let them learn to argue with words instead of threats. – Gauri Lankesh”

Gauri Lankesh started her career as a journalist with The Times of India, and after 16 years ended up running her own Kannada weekly called Gauri Lankesh Patrike. She was a staunch critic of right-wing politics, supported student leaders fighting for human rights and raised her voice repeatedly against Brahmanical patriarchy and the historical injustices done to the people from oppressed castes in this country. She was also celebrated among rationalists. 

But the assassination of Gauri Lankesh dawned as yet another example of the power imbalance between the different sections of our society. It has not been the first. Free thinkers like Narendra Dabholkar, M.M. Kalburgi, and Govind Pansare had been assassinated for similar reasons. So much hatred has been spewing across the nations that thumps its chest of freedom of speech as a constitutional right. Hope still remains as with every revulsion, there is revolution.

May 20: International Day of Clinical Trials

During the past year, as scientists in different parts of the world began developing vaccines against the Covid 19 virus, we have gradually become familiar with the idea of clinical trials and their importance in our lives. Every time a new drug, a new vaccine, a new medical device or a new treatment procedure is developed, there is a trial run done to make sure that they are safe for use in humans and are sufficiently efficient to treat a specific health condition. The trial run and all the steps involved in it is a clinical trial. 

Clinical trials are done in 3 phases. In Phase 1, the researchers administer the drug to participants to see whether the drug is safe to use and the highest dose that can be given to humans without any adverse side effects. During Phase 2, researchers administer the safest dose and try to figure out whether the new drug, vaccine or experimental treatment is effective in combating the specific disease that it is designed to treat. For example, a phase 2 trial drug for cancer may successfully lead to the shrinking of solid tumours in participating cancer patients. Phase 3 of the trial aims to find out how safe and efficient the new drug or treatment is compared to the current ones that are in use. The participants are divided into 2 groups, one group is administered the new, experimental treatment, the other group is given the treatment already in use or in case none is available, a sugar pill. Neither the doctors nor the patients in this phase of the study know which individual patient receives which type of treatment in this phase. If the new drug, vaccine treatment is found to be safe enough and more beneficial compared to the older ones, the authorities grant approval for its widespread use.

A trial run involves people who are selected on the basis of specific criteria like age, sex, population group, suffering from a disease at present or with a history of a specific illness. The details of the procedure, potential risks and benefits of the new treatment is explained to the participants and consent is taken before proceeding.

Clinical trials are not just needed for a newly prepared drug or treatment. If an already in use drug that was effective in treating a disease in adults is found to treat the same disease in children, new clinical trials need to be done in children before it is approved. Sometimes, there are new discoveries like a drug previously used for treating malaria contains properties that would be helpful for patients suffering from another disease caused by a virus. This old drug with a new purpose then undergoes a trial run to see how well it works against the viral disease.

କୋଭିଡ ସଂକଟର ସମୁଖଭାଗ: ସ୍ମଶାନ ଓ କବରସ୍ଥାନର କର୍ମୀ

ସରକାରୀ ତଥ୍ୟ ଅନୁସାରେ, ଭାରତରେ କୋଭିଡ୧୯ ସଂକ୍ରମଣରେ ଓ ମୌଳିକ ଚିକିତ୍ସାର ସୁବିଧା ଅଭାବରୁ ପ୍ରତିଦିନ ୪୦୦୦ରୁ ଅଧିକ ଲୋକ ମୃତ୍ୟୁବରଣ କରୁଛନ୍ତି। ଶବଦାହ କିମ୍ବା କବର ଦେବାରେ ସହାୟତା କରୁଥିବା ବ୍ୟକ୍ତି ଅଥବା ଧାର୍ମିକ ବା ସାଂସ୍କୃତିକ ପରମ୍ପରା ଅନୁସାରେ ଅନ୍ତିମ ସଂସ୍କାର କରୁଥିବା ବ୍ୟକ୍ତିମାନଙ୍କୁ ସଠିକ ‘ବ୍ୟକ୍ତିଗତ ସୁରକ୍ଷା ଉପକରଣ'(ପି.ପି.ଇ.) ପିନ୍ଧିବାକୁ ନିର୍ଦେଶ ଦିଆଯାଇଛି। ପି.ପି.ଇ.ରେ ଗ୍ଲୋଭସ, ଫେସ-ସିଲ୍ଡ, ଆଖି ପାଇଁ କଳା ଚଷମା, ମେଡିକାଲ ମାସ୍କ ଓ ପୂର୍ଣଭାବେ ଆଚ୍ଛାଦିତ ହୋଇ ରହୁଥିବା ଜୋତା ନିଶ୍ଚୟ ରହିବା ଉଚିତ। ହଇଜା ପରି ରୋଗ ତୁଳନାରେ ଶବ ସତ୍କାର ସମୟରେ କୋଭିଡ୧୯ ସଂକ୍ରମଣର ସମ୍ଭାବନା କମ ଥାଏ । କିନ୍ତୁ ମୃତକଙ୍କ ଶରୀରକୁ ନେବା ସମୟରେ ଜଣେ ବ୍ୟକ୍ତି ମୃତଦେହରୁ ବାହାରିଥିବା ତରଳ ପଦାର୍ଥ ବା ଶ୍ରାବ ସଂସ୍ପର୍ଶରେ ଆସି ସଂକ୍ରମିତ ହୋଇପାରେ। କୋଭିଡରେ ମରିଥିବା ବ୍ୟକ୍ତିଙ୍କର ଫୁସଫୁସ ଓ ଅନ୍ୟ ଅଙ୍ଗରେ ମଧ୍ୟ ଜୀବନ୍ତ ଓ ସଂକ୍ରାମକ ଭୂତାଣୁ ଥାଇପାରନ୍ତି। ମୃତକଙ୍କ ସଂଖ୍ୟା ବଢ଼ୁଥିବା ବେଳେ ସ୍ମଶାନ ଓ କବରସ୍ଥାନର କର୍ମୀମାନେ ଦିନ ରାତି କାମରେ ଲାଗିଛନ୍ତି। ଅଧିକାଂଶ ସମୟରେ ସେମାନଙ୍କ ପାଖରେ କୋଭିଡ ଟୀକା, ପରୀକ୍ଷା କୀଟ, ପି.ପି.ଇ., ଆର୍ଥିକ ସହଯୋଗ, ଖାଦ୍ୟ ଓ ମାନସିକ ସ୍ୱାସ୍ଥ୍ୟସେବା ପହଂଚିପାରେ ନାହିଁ। ସମୁଖଭାଗରେ କାର୍ଯ୍ୟରତ ଏହି ଅଧିକାଂଶ କର୍ମୀ ଐତିହାସିକଭାବେ ପ୍ରାନ୍ତିକ ଓ ପୀଡ଼ିତ ହୋଇଥିବା ସମ୍ପ୍ରଦାୟର ଯେଉଁମାନେକି ବର୍ତ୍ତମାନ ମଧ୍ୟ ଆନୁଷ୍ଠାନିକ ଜାତିଭେଦର ଶୀକାର ହୁଅନ୍ତି। ଏହି ଅପାତକାଳୀନ ସ୍ୱାସ୍ଥ୍ୟ ସଂକଟର ସମୁଖଭାଗରେ କାର୍ଯ୍ୟରତ କର୍ମୀ ଭାବରେ ସେମାନଙ୍କୁ ସମ୍ମାନ ଦେବା ଓ ସେମାନଙ୍କର ଦୁରାବସ୍ଥାକୁ ସୁଧାରିବାର ସମୟ ଆସିଯାଇଛି।

কোভিড সংকটের ফ্রন্টলাইন : শ্মশান ও গোরস্থানের কর্মীবৃন্দ

সরকারি মতে, ভারতে প্রতিদিন কোভিডে আক্রান্ত ৪০০০ এর-ও বেশি মানুষের মৃত্যু হচ্ছে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবার অভাবে। যাঁরা এই মৃতদের ধার্মিক ও সামাজিক রীতি অনুসারে শেষকৃত্যের দায়িত্বে আছেন, তাঁদের উপযুক্ত ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষামূলক উপকরণ বা PPE পরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। PPE এর মধ্যে দস্তানা, ফেস-শিল্ড, চক্ষু রক্ষার জন্য গগলস, মেডিক্যাল মুখোশ ও আঁটোসাঁটো জুতো থাকা অবশ্যই প্রয়োজন। মৃতদেহ বহন করার মাধ্যমে কোভিড সংক্রমণের সম্ভাবনা কলেরার মতো রোগের তুলনায় কম। কিন্তু মৃতদেহের শারীরিক তরল বা নিঃসরণের সংস্পর্শে এলে, কোভিড সংক্রমণ হতে পারে। কোভিডে মৃতদের ফুসফুস ও অন্যান্য অঙ্গে জীবিত ও সংক্রমণকারী ভাইরাস থাকতে পারে। মৃত্যু সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে, শ্মশান ও গোরস্থানের কর্মীরা দিনরাত এক করে কাজ করে চলেছেন। অধিকাংশ সময়েই তাঁদের কাছে কোভিড ভ্যাকসিন, কোভিড সংক্রমণ পরীক্ষা, উপযুক্ত PPE, আর্থিক সহায়তা, পর্যাপ্ত খাদ্য ও মানসিক স্বাস্থ্য পরিষেবার সুবিধা থাকে না। এই ফ্রন্টলাইন কর্মীদের অনেকেই ঐতিহাসিকভাবে প্রান্তিক ও নিপীড়িত সম্প্রদায়ের সদস্য, যাঁরা আজও প্রাতিষ্ঠানিক জাতভেদের শিকার। আজ এই স্বাস্থ্য সংকটের সময় আমাদের উচিত এই মানুষগুলির ফ্রন্টলাইনে কাজের স্বীকৃতি দেওয়া এবং তাঁদের অবস্থার উন্নতিতে প্রচেষ্ট হওয়া।

ਕੋਵਿਡ ਸੰਕਟ ਦਾ ਫਰੰਟਲਾਈਨ: ਸ਼ਮਸ਼ਾਨਘਾਟ ਅਤੇ ਕਬਰਸਤਾਨ ਦੇ ਕਰਮਚਾਰੀ

ਅਧਿਕਾਰਤ ਤੌਰ ‘ਤੇ, ਭਾਰਤ ਵਿਚ ਹਰ ਰੋਜ਼ 4000 ਤੋਂ ਵੱਧ ਲੋਕ ਕੋਵਿਡ-19 ਦੀ ਲਾਗ ਅਤੇ ਬੁਨਿਆਦੀ ਸਿਹਤ ਸਹੂਲਤਾਂ ਦੀ ਅਣਹੋਂਦ ਨਾਲ ਮਰ ਰਹੇ ਹਨ। ਜੋ ਲੋਕ ਮ੍ਰਿਤਕਾਂ ਦੇ ਦਫ਼ਨਾਉਣ ਜਾਂ ਅੰਤਮ ਸੰਸਕਾਰ ਵਿਚ ਸ਼ਾਮਲ ਹਨ, ਉਨ੍ਹਾਂ ਨੂੰ ਉਚਿਤ ਨਿੱਜੀ ਸੁਰੱਖਿਆ ਉਪਕਰਣ (ਪੀਪੀਈ) ਪਹਿਨਣ ਦੀ ਹਦਾਇਤ ਕੀਤੀ ਗਈ ਹੈ। ਪੀਪੀਈ ਵਿੱਚ ਦਸਤਾਨੇ, ਡਾਕਟਰੀ ਮਾਸਕ, ਅੱਖਾਂ ਨੂੰ ਬਚਾਉਣ ਲਈ ਚਸ਼ਮੇ, ਚਿਹਰੇ ਦੀ ਢਾਲ ਅਤੇ ਬੰਦ ਜੁੱਤੀਆਂ ਸ਼ਾਮਲ ਹੋਣੇ ਚਾਹੀਦੇ ਹਨ। ਹੈਜ਼ਾ ਵਰਗੀਆਂ ਬਿਮਾਰੀਆਂ ਦੇ ਮੁਕਾਬਲੇ, ਮਨੁੱਖੀ ਸਰੀਰਾਂ ਦੇ ਨਿਯਤ ਪ੍ਰਬੰਧਨ ਕਾਰਨ ਕੋਵਿਡ-19 ਦੇ ਸੰਚਾਰਿਤ ਹੋਣ ਦੀ ਸੰਭਾਵਨਾ ਘੱਟ ਹੈ। ਪਰ ਮਰੇ ਹੋਏ ਵਿਅਕਤੀਆਂ ਦੀਆਂ ਲਾਸ਼ਾਂ ਨੂੰ ਸੰਭਾਲਣ ਵਾਲਾ ਵਿਅਕਤੀ ਜੇ ਲਾਗ ਵਾਲੇ ਸਰੀਰ ਦੇ ਤਰਲ ਦੇ ਸੰਪਰਕ ਵਿੱਚ ਆਉਂਦਾ ਹੈ ਤਾਂ ਉਹ ਵਿਸ਼ਾਣੂਆਂ ਦੁਆਰਾ ਸੰਕਰਮਿਤ ਹੋ ਸਕਦਾ ਹੈ । ਕੋਵਿਡ ਨਾਲ ਮਰਨ ਵਾਲੇ ਲੋਕਾਂ ਦੇ ਫੇਫੜਿਆਂ ਅਤੇ ਹੋਰ ਅੰਗਾਂ ਵਿੱਚ ਵੀ ਜੀਵਿਤ ਅਤੇ ਛੂਤਕਾਰੀ ਵਿਸ਼ਾਣੂ ਹੋ ਸਕਦੇ ਹਨ। ਜਿਉਂ-ਜਿਉਂ ਮਰਨ ਵਾਲਿਆਂ ਦੀ ਗਿਣਤੀ ਵੱਧਦੀ ਜਾ ਰਹੀ ਹੈ, ਸ਼ਮਸ਼ਾਨਘਾਟ ਅਤੇ ਦਫ਼ਨਾਉਣ ਵਾਲੇ ਮੈਦਾਨ ਵਿਚ ਕਾਮੇ ਲਗਾਤਾਰ ਕੰਮ ਕਰ ਰਹੇ ਹਨ। ਉਹਨਾਂ ਕੋਲ ਅਕਸਰ ਕੋਵਿਡ ਜਾਂਚ ਕਿੱਟਾਂ, ਸਹੀ ਸੁਰੱਖਿਆ ਉਪਕਰਣਾਂ, ਵਿੱਤੀ ਸਹਾਇਤਾ, ਭੋਜਨ ਅਤੇ ਮਾਨਸਿਕ ਸਿਹਤ ਦੇਖਭਾਲ ਤੱਕ ਪਹੁੰਚ ਨਹੀਂ ਹੁੰਦੀ। ਇਨ੍ਹਾਂ ਵਿੱਚੋਂ ਬਹੁਤ ਸਾਰੇ ਕਰਮਚਾਰੀ ਇਤਿਹਾਸਕ ਤੌਰ ਤੇ ਹਾਸ਼ੀਏ ਅਤੇ ਪੀੜਤ ਸਮਾਜ ਵਿੱਚੋਂ ਆਏ ਹਨ ਜੋ ਅਜੇ ਵੀ ਸੰਸਥਾਗਤ ਜਾਤੀ ਅਧਾਰਤ ਵਿਤਕਰੇ ਦਾ ਸਾਹਮਣਾ ਕਰਦੇ ਹਨ। ਸਮਾਂ ਆ ਗਿਆ ਹੈ ਕਿ ਅਸੀਂ ਇਸ ਸਿਹਤ ਸੰਕਟਕਾਲ ਦੌਰਾਨ ਉਨ੍ਹਾਂ ਦੀਆਂ ਭੂਮਿਕਾਵਾਂ ਨੂੰ ਫਰੰਟਲਾਈਨ ਕਰਮਚਾਰੀਆਂ ਵਜੋਂ ਪਛਾਣੀਏ ਅਤੇ ਉਨ੍ਹਾਂ ਦੀ ਦਸ਼ਾ ਨੂੰ ਬਿਹਤਰ ਬਣਾਉਣ ਦੀ ਕੋਸ਼ਿਸ਼ ਕਰੀਏ।

Homophobia in Science

May 17 was observed as the International Day Against  Homophobia, Transphobia and Biphobia.

Indian academic spaces for a long time have been homophobic and transphobic. Many research fellows, students and even scientists pass homophobic and transphobic comments at the workplace, discriminate against queer and trans people who are fellow students or colleagues and rarely face any consequences. When it comes to the annual discussions on gender equity at many such institutions, historical injustice, discrimination and toxic behaviour experienced by the queer and trans folk in academia are conveniently left out of the talking points. For a queer or trans person working in such a toxic workplace, there is no one to turn to for help and register a complaint. Many people from the LGBTQIA community who are working in the toxic and hyper-masculine world of Indian science and academia suffer from mental health issues as a result of these experiences. 

There is also an issue of visibility as right now, very few queer and trans people are holding positions of power in the world of Indian academics, especially in STEM subjects. A greater number of LGBTQIA scientists would encourage more LGBTQIA youth to take up science, pursue scientific research, and also bring about an inclusive change in science policymaking in this country. Indian science and education policies would be truly equitable when they acknowledge the discrimination and de-humanisation faced by the LGBTQIA people and attempts to right the historical wrongs through steps that ensure increased representation, increased visibility through affirmative actions and strict institutional action against homophobic, transphobic behaviour in the workplace 

कोरोना वायरस संकट : कब्रिस्तान और शमशान कर्मी

आधिकारिक आंकड़ों के अनुसार, प्रतिदिन 4000 लोगों की मृत्यु कोरोना वायरस  और स्वास्थय सुविधाओं की कमी के कारण हो रही है। जो लोग अंतिम संस्कार व शव दफ़न करने का कार्य करते हैं उन्हें व्यक्तिगत सुरक्षा उपकरण (PPE) पहनने की हिदायत दी गयी है। इस उपकरण मैं दस्ताने, मुख-कवच, चश्मे,बंद जूते और मास्क होना आवश्यक है।हालांकि कोरोना वायरस का संक्रमण हैजे की तरह शव से होने की संभावना काम है, किन्तु शव को संभालते वक़्त स्राव या शारीरिक द्रव्यों से हो सकता है।  संक्रमित शव के फेफड़ों अथवा अन्य अंदरूनी अंगों में भी जीवित वायरस हो सकते हैं। जैसे जैसे मृतकों की संख्या बढती जा रही है, शमशाम कर्मियों को दिन रात काम करना पड़ रहा है। इनका टीकाकरण नहीं हुआ है और परीक्षण के साधन व उपकरणों की भी कमी है। इनके पास खाने, आर्थिक सहयोग और मानसिक स्वास्थय सुरक्षा के कोई साधन नहीं हैं।  इनमें से कई कर्मियों को सामाजिक जातिवाद का सामना करना पड़ रहा है, क्यूंकि ये ऐतिहासिक रूप से उत्पीड़ित समुदाय से सम्बंधित हैं। अब समय आ गया है के हम उनकी भूमिकाओं को समझें और उनको इस महामारी में अकेला ना छोड़ें। 

கோவிட் நெருக்கடி முன்னணி: தகனம் மற்றும் கல்லறை தொழிலாளர்கள்

அதிகாரப்பூர்வமாக, கோவிட் 19 நோய்த்தொற்று மற்றும் இந்தியாவில் அடிப்படை சுகாதார வசதிகள் கிடைக்காததால் தினமும் 4000 க்கும் மேற்பட்டோர் இறந்து கொண்டிருக்கின்றனர்.  இறந்தவர்களை தகனம் செய்வதில் அல்லது அடக்கம் செய்வதில் ஈடுபட்டுள்ளவர்கள் அல்லது மத அல்லது கலாச்சார மரபுகளின்படி இறுதி சடங்குகளை நடத்துபவர்களுக்கு பொருத்தமான தனிப்பட்ட பாதுகாப்பு உபகரணங்களை அணிய அறிவுறுத்தப்பட்டுள்ளது.  PPE இல் கையுறைகள், முகம்-கவசம், கண்களைப் பாதுகாக்க கண்ணாடிகள், மருத்துவ முகமூடி மற்றும் மூடிய பாதணிகள் ஆகியவை இருக்க வேண்டும். காலரா போன்ற நோய்களுடன் ஒப்பிடும்போது மனித உடல்களைக் கையாளுவதால் கோவிட் 19 பரவுவதற்கான வாய்ப்பு குறைவு.  ஆனால் இறந்தவரின் உடல்களைக் கையாளும் ஒருவர் பாதிக்கப்பட்ட உடல் திரவம் அல்லது சுரப்புகளுடன் தொடர்பு கொண்டால் வைரஸால் பாதிக்கப்படலாம்.  கோவிட் இறந்த மக்களின் நுரையீரல் மற்றும் பிற உறுப்புகளிலும் நேரடி மற்றும் தொற்று வைரஸ்கள் இருக்கலாம்.  இறப்பு எண்ணிக்கை அதிகரிக்கும் போது, ​​தகனம் மற்றும் புதைகுழிகளில் உள்ள தொழிலாளர்கள் கடிகாரத்தை சுற்றி வேலை செய்கிறார்கள்.  கோவிட் தடுப்பூசிகள், சோதனைக் கருவிகள், சரியான பாதுகாப்பு உபகரணங்கள், நிதி உதவி, உணவு மற்றும் மனநலப் பாதுகாப்பு ஆகியவற்றை அவர்கள் பெரும்பாலும் அணுகுவதில்லை.  இந்த முன்னணி தொழிலாளர்கள் பலர் வரலாற்று ரீதியாக ஓரங்கட்டப்பட்ட மற்றும் ஒடுக்கப்பட்ட சமூகங்களிலிருந்து வந்தவர்கள், அவை நிறுவனமயப்படுத்தப்பட்ட சாதி அடிப்படையிலான பாகுபாட்டை இன்னும் எதிர்கொள்கின்றன.  இந்த சுகாதார அவசரகாலத்தின் போது முன்னணி தொழிலாளர்களாக அவர்களின் பங்குகளை நாங்கள் அங்கீகரித்து, அவர்களின் அவல நிலையை மேம்படுத்த முயற்சிக்கிறோம்.

COVID 19 infection even after vaccination

Vaccines are the only way to prevent viral diseases like that caused by Covid 19 infection. Multiple vaccines that can effectively protect against illness caused by Covid 19 virus have already been developed and are being administered to people all over the world. But, a small number of people may get the Covid 19 disease even after being vaccinated. One of the reasons for getting  Covid 19 infection after vaccination may be due to a new variant of the virus that the vaccine is not very effective against. Some people may have already been infected by the Covid 19 virus before taking the vaccine doses. Most of the Covid 19 vaccines take a couple of weeks to work, therefore a vaccinated person may become infected with the virus because the vaccine has not had enough time to produce anti-Covid 19 antibodies. Frontline workers and healthcare professionals may catch the disease even after being vaccinated due to continuous exposure to Covid 19 patients. Although vaccines are not 100 percent efficient at preventing Covid 19 virus infection, the risk of patients falling severely ill, being hospitalized or dying is reduced to a great extent because of the protection offered by vaccines. A vaccinated person is likely to suffer a mild Covid 19 illness or be entirely asymptomatic.  Therefore, it is important to remember that the vaccines currently being used against Covid 19 may not prevent infection by the Covid 19 virus, the transmission of the virus but will protect against serious disease and fatalities.

Vaccine Booster Dose Gap

Vaccines mimic an actual infection by a microbial pathogen like a bacteria or virus, cause our bodies to react to it and produce combative antibodies and thus provide protection from naturally occurring infectious agents. The protection provided by a vaccine makes the individual “immunized”. A vaccine can imitate a pathogen contain an alive or dead form of the microbe or parts of the microorganism that causes the host’s body to produce specific anti-pathogen antibodies and activate T cells. Vaccines may cause mild symptoms but not a serious disease caused by the pathogen. As a result of the vaccine, the individual’s body now remembers the specific infectious pathogen, it contains specific B cells, T cells, antibodies to fight it. But after a long time, the immune system may begin to forget. A second dose of vaccine called a booster is required at that time to help the immune system remember the pathogen once again and create new pathogen-specific antibodies, lymphocytes. The right time to administer a second dose or a booster is different for different types of vaccines, boosters may be given annually or within a few weeks of the first dose. It is important to get the booster doses as it will help our immune system remember the pathogens and continue to provide us with immunity.